এতো কষ্ট জীবন নষ্ট
মহসিন আলম মুহিন
এতো কষ্ট জীবন নষ্ট হায় হায় কেমনে বুঝাই কারে-
বলতে গেলে কষ্ট যেন দ্বিগুণ হয়ে নিজের ঘাড়েই পড়ে।।
এতো অনিয়ম, এতো জ্বালা যন্ত্রণা আর যে সহ্য হয় না-
উপায় নাই নিরুপায় হয়ে বাঁচা কিছুই যে করা যায় না।।
এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো ‘আজ তুমি!
সকল দেশের চেয়ে ফাঁপরবাজে ভরা এখন আমার দেশ, আমার ‘জন্মভূমি।।
নাই নাই, খাই খাই, অশান্তি অনিয়ম আজ নিত্যদিনের কড়চা-
ভালো কোন আশা নাই, ভালো বলার ভাষা নাই, যতই করো দেশের লাগি তুমি ‘খরচা।।
বিদ্যুৎ নাই, নষ্ট হলেও দ্রুত নাই মেরামতকারী জনবল- নাইরে হেথা নাই-
মাস গেলে তবুও আসবে ভুতুড়ে বিল যতই করো কাই কাই।।
একটাই যে দোকান আরতো নেই দোকানী দ্বিতীয়, তৃতীয়-
তাইতো আসবে লোডশেডিংয়েও বিলের অংকটা বেশী অপ্রিয়।।
হঠাৎ যদি নষ্ট হয় ঝড় তুফানে-লাইন কিংবা সরঞ্জাম-
দ্রুত তা হয় না সাড়া-অমানবিক, বড়ই নিষ্ঠুর এই কাজ কাম।।
ঘন্টার পর ঘন্টা চলে বিদ্যুৎ বিহীন মিনিট সেকেন্ড দিনরাত-
শিশু সহ বয়স্ক ব্যক্তিরা সকলেই হয় পড়ে কুপোকাত।।
ফোন করলে কর্তৃপক্ষ কখনও কখনও একটুখানি নড়েচড়ে-
আবার কখনও কখনও বেখেয়ালি হাম ভরা ভাব ধরে।।
সব নাগরিক সমান সমান ভাবে না আর শাসকদল,
কাউকে ভাবে হীরার টুকরো আবার কাউকে ভাবে কচুরিপানার ‘দল।।
এতো কেবল বিদ্যুৎতের রোজনামচা একটু আলোচনা-
সকল ক্ষেত্রেই অবিচার-অনিয়ম, ভালো দুই একটা খাত-যা হাতে গোনা।।
দ্রব্যমুল্যের উর্ধ্বগতি, শিক্ষার মান, জনতার মানসম্মান; সবখানেতে মানের টানাটানি-
নেতাদের আছে ফাঁকাবুলি, আজগুবী কাম, মানি আর না মানি।।
রাস্তাঘাট ভরা খানাখন্দে, চিকিৎসাসেবা ভণ্ডুল, যানবাহনে ভয়-ভীতি-
রাজ্যের যারা আগাগোড়া তাদের একটাই সাধ, একটাই পাড়ে কাম-যাকে বলে দূর্নীতি।।
বস্ত্রশিল্প, তাঁতশিল্প ধ্বংসের পথে আমদানি-রপ্তানি, লেনদেন বেশ মন্দা,
উৎপাদনের কাঁচামালের অস্বাভাবিক দাম-কেড়ে নেয় তাই তন্দ্রা।।
কর্মে ভেজাল, খাদ্যে ভেজাল, চিন্তায় ভেজাল, ভেজালে ভরা দেশ-
তাইতো আজ আমজনতার কপাল পোড়া-কষ্টের নাইকো শেষ।।
…………………………………………………….
মহসিন আলম মুহিন
খামার গ্রাম কলেজ পাড়া
থানাঃ-এনায়েতপুর উপজেলাঃ-চৌহালী জেলাঃ-সিরাজগঞ্জ বিভাগঃ-রাজশাহী দেশঃ-বাংলাদেশ.
প্রতিনিধির নাম 









