হাফসা এক সরল মেয়ে, শান্ত নদীর মতো মন, সবার মাঝে বিলিয়ে বেড়ায় আপন মায়ার অনুক্ষণ। তার চোখেতে আকাশ ভরা অবুঝ এক মায়াবী রূপ, কষ্ট পেলেও সয়ে যায় সে, একলা ঘরে থাকে চুপ।
জগতের এই কুটিল মানুষ বোঝে না তার সরলতা, উপহার দেয় বিনা দোষে মিথ্যা অপবাদ আর ব্যথা। স্বার্থপর এই পৃথিবীর বুকে সবাই তারে কষ্ট দেয়, বিনিময়ে হাফসা শুধু চোখের জলের দীর্ঘশ্বাস নেয়।
তবুও হাফসা প্রতিদানে কাউকে কভু দেয় না কষ্ট, তার আলোতে ধন্য হয় রে পাপী মানুষ যত নষ্ট। ক্ষমাশীল তার নরম হৃদয়, হিংসা ছড়াতে জানে না সে, কাদায় যারা, তাদেরও হাফসা একটুখানি ভালোবেসে।
বুকের ভেতর পাথর চাপা, মুখে কিন্তু হাসির রেখা, এমন মানুষ এই জগতে যায় না সহজে আর দেখা। সবাই যখন আঘাত হানে অবহেলা আর ছলে, হাফসা তখন একলা কাঁদে জায়নামাজে চোখের জলে।
ভালো থেকো ওগো হাফসা, থেকো তুমি নিজের মতো, বিধাতা নিজে সারিয়ে দেবেন তোমার বুকের আঘাত যত। তোমার সরল স্বভাবখানি ধরে রেখো আমরণ, পবিত্র এক আত্মা তুমি, ধন্য তোমার এই জীবন।
প্রতিনিধির নাম 









