ঢাকা ০৭:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
শিরোনাম ::
বর্ষা // মো.বোরহান উদ্দীন ​শিল্পী সমিতির দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদপ্রার্থী নায়ক রাসেল মিয়া ​শিল্পী সমিতির দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদপ্রার্থী নায়ক রাসেল মিয়া আমেরিকা থেকে প্রবন্ধ প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন খুলনার “বিশিষ্ট কবি শওকত আলম” “”শাহ্ সুফী মাহফুজ রহমান’র দুটি কবিতা “ পাকুন্দিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাবেক জিএস আলহাজ্ব আহমদ ফারুক খোকন-এর গণসংযোগ দৈনিক নরসুন্দা সংবাদ এর সম্পাদক আফসার আশরাফী পেলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ স্মৃতি সম্মাননা-২৫ কবি শওকত আলম এর দুটি কবিতা…………………… কালের নতুন সংবাদ এর সম্পাদক খায়রুল ইসলামের জন্মদিন দৈনিক নরসুন্দা সংবাদ ও মাসিক সাময়িকী ঈসাখাঁ সাহিত্যপত্র-এর যৌথ উদ্যোগে পদক প্রদান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বাংলা নববর্ষ সাহিত্য পুরস্কার ১৪৩২ বিজয়ী কবি আমিরুল ইসলাম এর পরিচিতি

 

কবি আমিরুল ইসলাম । প্রকৃত নাম আমিরুল ইসলাম। জন্ম ০৩ জানুয়ারি ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলাধীন বরেয়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা- মুত জাহিরুল ইসলাম গাইন এবং মাতা-আবিরোন নেছা গৃহিণী। কবি’র শৈশব -কৈশোর গ্রাম্য প্রকৃতির বৈচিত্র্যময় এক নান্দনিক পরিবেশে বেড়ে উঠেছেন।

A.শিক্ষাজীবনঃ- মায়ের হাত ধরে শিক্ষা জীবনের সর্ব প্রথম হাতে খড়ি। পরবর্তীতে শ্রোদ্ধেয় বড় ভাই রুহুল আমিন এর হাত ধরে বরেয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১ম শ্রেণিতে ভর্তি হন পরবর্তিতে বড়ভাই ষষ্ঠ শ্রেনীতে জাফরপুর দাখিল মাদ্রাসায় ভর্তি করে দেন। তার মায়ের দুআ সবসময় তার জীবন চলার পথে আলোর মতো আছেন।

B.শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ- তিনি পড়াশোনা জগতে একজন মেধাবী ছাত্র ছিলেন। এসএসসি(দাখিল) জাফরপুর সিদ্দীকিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে মানবিক বিভাগে- ১ম ডিভিশনে উত্তীর্ণ।এইচ এস সি (আলিম),১ম ডিভিশন, বিএ (ফাজিল) দ্বিতীয় ডিভিশন ,এম এ (কামিল) হাদীস,দ্বিতীয় ডিভিশনে আঁগরদাঁড়ী আমিনিয়া কামিল মাদ্রাসা থেকে উত্তীর্ণ হন। পাশাপাশি বি এস এস (সম্মান)রাষ্ট্র বিঞ্জান দ্বিতীয় ডিভিশন, এম এস এস রাষ্ট্র বিঞ্জান দ্বিতীয় ডিভিশনে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ,সাতক্ষীরা থেকে উত্তীর্ণ হন।

C.ব্যক্তি জীবনঃ- ২০১১ সালে ১৪ অক্টোবর নুসরাত ফারজানা (চামেলী) পেশায় একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। “আদিল নাঈফ আলিফ ” ও “আনিকা আফরিন” কবি এই দুই সন্তানের জনক।
তিনি একজন সংবাদ কর্মী ও ব্যবসায়ী।

D.শৈশব কালঃ- মা বাবা ভাই বোন মিলেমিশে আনন্দঘোনো পরিবেশে মানুষ এবং গাঁয়ের অন্যান্য সমবয়সী দের সাথে খেলাধুলা করেই কেটেছে দুরন্ত শৈশব কৈশোর কাল।

E.তারুণ্যঃ- তারুণ্য যেন এক অগ্নিশিখা, যেখানে স্বপ্নের উচ্ছ্বাস এবং অনন্ত সম্ভাবনার স্পন্দন রয়েছে।
কবির মন—স্বপ্ন দিয়ে গড়া, অসম্ভবকে সম্ভব করার অঙ্গীকারে দৃঢ়।আলোর মতো জ্বলে ওঠে, পথচলায় কখনও পিছপা নয়। সাহসী মন, প্রতিকূলতাকে জয় করার অদম্য শক্তি।নতুন কিছু সৃষ্টির তৃষ্ণায় অবিরাম পথচলা।স্বাধীনতার ডানায় ভর করে, দিগন্তে ছুটে চলার অঙ্গীকার।সমাজ বদলের শপথ, পরিবর্তনের অগ্নিশিখা।

F.লেখালেখি শুরুঃ-চতুর্থ শ্রেণীতে পড়া সময় থেকেই লিখতে খুব ভালোবাসতেন কিন্তু কারোর কাছ থেকে তেমন কোন অনুপ্রেরণা না পেলেও স্কুল ও কলেজ জীবনে বন্ধুবান্ধব তার হাবভাব দেখে তাকে কেন যেন কবি বা সাহিত্যিক ভাবতে শুরু করেন। তবে তিনি মাঝে মাঝে স্বরচিত কবিতা রচনা করতেন এবং তা খাতায় লিখে রাখতেন । কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় লেখা আর তেমন হয়ে ওঠে না পরবর্তীতে কবি আলী সোহরাব এবং প্রিয়ভাই “কবি শওকত আলম” তাকে লেখালেখিতে আগ্রহী করে তোলেন এবং নানান ভাবে উৎসাহিত করেন, অনুপ্রেরণা যোগান। তার লেখালেখি পত্র পত্রিকায় পাঠাতে সহযোগিতা করেন, এমনি ভাবে কবি আমিরুল ইসলামের লেখালেখি প্রকাশ হতে থাকে। তার স্ত্রীর বাংরার ছাত্রী হওয়ার কারনে তার অনুপ্রেরণায় আবার ও লেখা লেখি জীবনে নতুন আশায় বাকঘুরান ।

G.ভবিষ্যৎ স্বপ্নঃ-ভবিষ্যৎ স্বপ্ন যেন এক অপার সম্ভাবনার দিগন্ত। এটি আমাদের পথচলার দিশা দেয়, জীবনের অর্থ খুঁজে পেতে সাহায্য করে। ভবিষ্যতের স্বপ্নের অনুভূতি কখনও উচ্ছ্বাসে ভরা, কখনও গভীর এক আকাঙ্ক্ষা!তাই কবির স্বপ্ন অন্ধকার ভেদ করে সামনে এগিয়ে চলা,যেখানে প্রতিটি পদক্ষেপে এক নতুন আশা।সফলতার পথে কাঁটা থাকলেও এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার। নতুন কিছু করার আকাঙ্ক্ষা হৃদয় জুড়ে থাকে,যেখানে নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার নেশা তৈরি হয়।

ট্যাগস :

বর্ষা // মো.বোরহান উদ্দীন

বাংলা নববর্ষ সাহিত্য পুরস্কার ১৪৩২ বিজয়ী কবি আমিরুল ইসলাম এর পরিচিতি

আপডেট সময় : ০৭:৪৮:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫

 

কবি আমিরুল ইসলাম । প্রকৃত নাম আমিরুল ইসলাম। জন্ম ০৩ জানুয়ারি ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলাধীন বরেয়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা- মুত জাহিরুল ইসলাম গাইন এবং মাতা-আবিরোন নেছা গৃহিণী। কবি’র শৈশব -কৈশোর গ্রাম্য প্রকৃতির বৈচিত্র্যময় এক নান্দনিক পরিবেশে বেড়ে উঠেছেন।

A.শিক্ষাজীবনঃ- মায়ের হাত ধরে শিক্ষা জীবনের সর্ব প্রথম হাতে খড়ি। পরবর্তীতে শ্রোদ্ধেয় বড় ভাই রুহুল আমিন এর হাত ধরে বরেয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১ম শ্রেণিতে ভর্তি হন পরবর্তিতে বড়ভাই ষষ্ঠ শ্রেনীতে জাফরপুর দাখিল মাদ্রাসায় ভর্তি করে দেন। তার মায়ের দুআ সবসময় তার জীবন চলার পথে আলোর মতো আছেন।

B.শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ- তিনি পড়াশোনা জগতে একজন মেধাবী ছাত্র ছিলেন। এসএসসি(দাখিল) জাফরপুর সিদ্দীকিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে মানবিক বিভাগে- ১ম ডিভিশনে উত্তীর্ণ।এইচ এস সি (আলিম),১ম ডিভিশন, বিএ (ফাজিল) দ্বিতীয় ডিভিশন ,এম এ (কামিল) হাদীস,দ্বিতীয় ডিভিশনে আঁগরদাঁড়ী আমিনিয়া কামিল মাদ্রাসা থেকে উত্তীর্ণ হন। পাশাপাশি বি এস এস (সম্মান)রাষ্ট্র বিঞ্জান দ্বিতীয় ডিভিশন, এম এস এস রাষ্ট্র বিঞ্জান দ্বিতীয় ডিভিশনে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ,সাতক্ষীরা থেকে উত্তীর্ণ হন।

C.ব্যক্তি জীবনঃ- ২০১১ সালে ১৪ অক্টোবর নুসরাত ফারজানা (চামেলী) পেশায় একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। “আদিল নাঈফ আলিফ ” ও “আনিকা আফরিন” কবি এই দুই সন্তানের জনক।
তিনি একজন সংবাদ কর্মী ও ব্যবসায়ী।

D.শৈশব কালঃ- মা বাবা ভাই বোন মিলেমিশে আনন্দঘোনো পরিবেশে মানুষ এবং গাঁয়ের অন্যান্য সমবয়সী দের সাথে খেলাধুলা করেই কেটেছে দুরন্ত শৈশব কৈশোর কাল।

E.তারুণ্যঃ- তারুণ্য যেন এক অগ্নিশিখা, যেখানে স্বপ্নের উচ্ছ্বাস এবং অনন্ত সম্ভাবনার স্পন্দন রয়েছে।
কবির মন—স্বপ্ন দিয়ে গড়া, অসম্ভবকে সম্ভব করার অঙ্গীকারে দৃঢ়।আলোর মতো জ্বলে ওঠে, পথচলায় কখনও পিছপা নয়। সাহসী মন, প্রতিকূলতাকে জয় করার অদম্য শক্তি।নতুন কিছু সৃষ্টির তৃষ্ণায় অবিরাম পথচলা।স্বাধীনতার ডানায় ভর করে, দিগন্তে ছুটে চলার অঙ্গীকার।সমাজ বদলের শপথ, পরিবর্তনের অগ্নিশিখা।

F.লেখালেখি শুরুঃ-চতুর্থ শ্রেণীতে পড়া সময় থেকেই লিখতে খুব ভালোবাসতেন কিন্তু কারোর কাছ থেকে তেমন কোন অনুপ্রেরণা না পেলেও স্কুল ও কলেজ জীবনে বন্ধুবান্ধব তার হাবভাব দেখে তাকে কেন যেন কবি বা সাহিত্যিক ভাবতে শুরু করেন। তবে তিনি মাঝে মাঝে স্বরচিত কবিতা রচনা করতেন এবং তা খাতায় লিখে রাখতেন । কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় লেখা আর তেমন হয়ে ওঠে না পরবর্তীতে কবি আলী সোহরাব এবং প্রিয়ভাই “কবি শওকত আলম” তাকে লেখালেখিতে আগ্রহী করে তোলেন এবং নানান ভাবে উৎসাহিত করেন, অনুপ্রেরণা যোগান। তার লেখালেখি পত্র পত্রিকায় পাঠাতে সহযোগিতা করেন, এমনি ভাবে কবি আমিরুল ইসলামের লেখালেখি প্রকাশ হতে থাকে। তার স্ত্রীর বাংরার ছাত্রী হওয়ার কারনে তার অনুপ্রেরণায় আবার ও লেখা লেখি জীবনে নতুন আশায় বাকঘুরান ।

G.ভবিষ্যৎ স্বপ্নঃ-ভবিষ্যৎ স্বপ্ন যেন এক অপার সম্ভাবনার দিগন্ত। এটি আমাদের পথচলার দিশা দেয়, জীবনের অর্থ খুঁজে পেতে সাহায্য করে। ভবিষ্যতের স্বপ্নের অনুভূতি কখনও উচ্ছ্বাসে ভরা, কখনও গভীর এক আকাঙ্ক্ষা!তাই কবির স্বপ্ন অন্ধকার ভেদ করে সামনে এগিয়ে চলা,যেখানে প্রতিটি পদক্ষেপে এক নতুন আশা।সফলতার পথে কাঁটা থাকলেও এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার। নতুন কিছু করার আকাঙ্ক্ষা হৃদয় জুড়ে থাকে,যেখানে নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার নেশা তৈরি হয়।