
আকাশ জুড়ে মেঘের মেলা গুরুগুরু ডাক,
হাওর পাড়ে চাষির মনে দুশ্চিন্তার ছাপ।
সবুজ ধানের কচি ডগায় স্বপ্ন তার মাখা,
আকস্মিকে বানের জলে সব হলো ফাঁকা।
পাহাড়ি ঢল নামল বেগে ভাঙল বাঁধের বুক,
নিমেষেই সব তলিয়ে গেল ঘুচল হাসিমুখ।
সোনার ফসল হারিয়ে গেল ঘোলা পানির তল,
চাষির দুচোখ ঝরছে কেবল নোনা অশ্রু জল।
হালের বলদ অবাক চোখে চায় জলের পানে,
গোলা ভরা হবে না ধান সেই কথা জানে।
ঋণের বোঝা বাড়ছে কেবল কেমন তার মেটে?
বুকের নাভিশ উঠছে জমে হাহাকার পেটে।
রাতের বেলা ঘুম আসে না চোখের পাতা ভারি,
আশার তরী ডুবল আজি মরণ খেয়ার পাড়ি।
হাওর জুড়ে নিথর বাতাস দীর্ঘশ্বাসের গান,
কৃষক ভাইয়ের স্বপ্ন যে আজ ধুলায় ম্রিয়মাণ।
কেউ শোনে না অভাবী সেই ঘরবাসীর সুর,
বানের তোড়ে ভেসে গেল শান্তি বহুদূর।
ক্ষুধার জ্বালায় কচি শিশু কান্নাকাটি করে,
অন্নহীনের দীর্ঘশ্বাস যে গুমরে কাঁদে ঘরে।
কপাল পোড়া হাওরবাসী লড়ছে পানিতে,
আগামীকাল কী খাবে সে শূন্য পাতেতে?
লড়াই ছিল ফসল নিয়ে বাঁচবে পরিবার,
প্রকৃতি আজ কেড়ে নিল সকল অধিকার।
প্রতিনিধির নাম 











