ঢাকা ১২:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
শিরোনাম ::
সরল মেয়ে হাফসা // মো:কবির হোসেন বর্ষা // মো.বোরহান উদ্দীন ​শিল্পী সমিতির দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদপ্রার্থী নায়ক রাসেল মিয়া ​শিল্পী সমিতির দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদপ্রার্থী নায়ক রাসেল মিয়া আমেরিকা থেকে প্রবন্ধ প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন খুলনার “বিশিষ্ট কবি শওকত আলম” “”শাহ্ সুফী মাহফুজ রহমান’র দুটি কবিতা “ পাকুন্দিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাবেক জিএস আলহাজ্ব আহমদ ফারুক খোকন-এর গণসংযোগ দৈনিক নরসুন্দা সংবাদ এর সম্পাদক আফসার আশরাফী পেলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ স্মৃতি সম্মাননা-২৫ কবি শওকত আলম এর দুটি কবিতা…………………… কালের নতুন সংবাদ এর সম্পাদক খায়রুল ইসলামের জন্মদিন

পাকুন্দিয়া উপজেলার বাহাদিয়া মিরারটেক গ্রামের শামসুল আলমকে প্রাণে মারার চেষ্টা

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : কিশোরগঞ্জ জেলা পাকুন্দিয়া উপজেলা বাহাদিয়া মিরারটেক গ্রামের বাসিন্দা মো.শামসুল আলম। ১৩ এপ্রিল ২০২৫ খ্রি: রবিবার রাত ৯ ঘটিকার সময় মো.শামসুল আলম তার আত্মীয়র বাড়ী থেকে ১,২০,০০০/- ধারকর্য করে নিয়ে যাওয়ার সময় বাহাদিয়া মিরারটেক সাকিনস্থ বিবাদীদের বসত বাড়ী পাশে জৈনিক হারুন এর মুদির দোকান সংলগ্ন পাকা রাস্তার উপর পৌঁছার মাত্রই উৎপাতিয়া থাকা বিবাদীগণ পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে একই গ্রামের মৃত মনসুর আলীর ছেলে সিরাজ উদ্দীন(৪৫), হৃদয় (২৫),পলাশ(২২) উভয়পিতা সিরাজ উদ্দীন ও রহিম উদ্দীন এর ছেলে বাবুল (৩৮), তারা একই উদ্দেশ্যে দা,ছুরা, লোহার রড,লাঠি- সোটা নিয়া মো. শামসুল আলমকে পথরোধ করতে আক্রমণ করে। খুন করার উদ্দেশ্যে মাথার বাম পার্শ্বে কপালের অগ্রভাগে কোপ মারিয়া মারাত্মক হাড়কাটা গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। বিবাদীগণ লোহার রোড, লাঠি সোটা দিয়া খুন করার উদ্দেশ্যে পিঠে বুকে এলোপাতাড়ি মারপিট করে এবং সাথে থাকা ১,২০,০০০/- নিয়ে যায় বিবাধীগণ। মো.শামসুল আলমের ডাকচিৎকার শুনে আশে পাশের লোক জন চলে আসায় বিবাদীগণ পালিয়ে যাওয়ার সময় এই বলিয়া হুমকি দিয়া যায় যে ঘটনার ব্যপারে কোন প্রকার মামলা মোকদ্দমা করিলে আমাকেসহ আমার পরিবারের অন্যান্য সদস্যকে সুযোগমতে পেলে রাস্তাঘাটে খুন করে লাশ গুম করে ফেলিবে এবং আমাদের বাড়ি ঘরে আগুন দিয়ে পোড়িয়ে দিবে আমাদেরকে এলাকাছাড়া করবে। ঘটনার স্থল থেকে এলাকাবাসী মো.শামসুল আলমকে সিএনজি যোগে পাকুন্দিয়া হাসপাতালে নিয়ে আসিলে কর্তবরত ডাক্তার উন্নত চিকিৎসার জন্য জখমীকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। ঘটনার দিন হইতে জখমী মো.শামসুল আলম ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বেশকিছুদিন চিকিৎসা নিয়ে কিছুটা সুস্থ হলে কর্তবরত ডাক্তার আবার পাকুন্দিয়া সদর হাসপাতালে রের্ফাড করেন । মোছা: রত্মা আক্তার বাদী হয়ে পাকুন্দিয়া থানায় অভিযোগ দায়েরের করেন। এগারসিন্দু ইউনিয়নের দায়ত্বরত এসআই সুজায়েত হোসেন জানান অভিযোগ পাওয়ার পর আসামী বিবাদীগণকে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আসামীদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। পাকুন্দিয়া থানার এসআই সুজায়েত হোসেন উক্ত ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে জানান।

ট্যাগস :

সরল মেয়ে হাফসা // মো:কবির হোসেন

পাকুন্দিয়া উপজেলার বাহাদিয়া মিরারটেক গ্রামের শামসুল আলমকে প্রাণে মারার চেষ্টা

আপডেট সময় : ০৯:৫০:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল ২০২৫

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : কিশোরগঞ্জ জেলা পাকুন্দিয়া উপজেলা বাহাদিয়া মিরারটেক গ্রামের বাসিন্দা মো.শামসুল আলম। ১৩ এপ্রিল ২০২৫ খ্রি: রবিবার রাত ৯ ঘটিকার সময় মো.শামসুল আলম তার আত্মীয়র বাড়ী থেকে ১,২০,০০০/- ধারকর্য করে নিয়ে যাওয়ার সময় বাহাদিয়া মিরারটেক সাকিনস্থ বিবাদীদের বসত বাড়ী পাশে জৈনিক হারুন এর মুদির দোকান সংলগ্ন পাকা রাস্তার উপর পৌঁছার মাত্রই উৎপাতিয়া থাকা বিবাদীগণ পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে একই গ্রামের মৃত মনসুর আলীর ছেলে সিরাজ উদ্দীন(৪৫), হৃদয় (২৫),পলাশ(২২) উভয়পিতা সিরাজ উদ্দীন ও রহিম উদ্দীন এর ছেলে বাবুল (৩৮), তারা একই উদ্দেশ্যে দা,ছুরা, লোহার রড,লাঠি- সোটা নিয়া মো. শামসুল আলমকে পথরোধ করতে আক্রমণ করে। খুন করার উদ্দেশ্যে মাথার বাম পার্শ্বে কপালের অগ্রভাগে কোপ মারিয়া মারাত্মক হাড়কাটা গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। বিবাদীগণ লোহার রোড, লাঠি সোটা দিয়া খুন করার উদ্দেশ্যে পিঠে বুকে এলোপাতাড়ি মারপিট করে এবং সাথে থাকা ১,২০,০০০/- নিয়ে যায় বিবাধীগণ। মো.শামসুল আলমের ডাকচিৎকার শুনে আশে পাশের লোক জন চলে আসায় বিবাদীগণ পালিয়ে যাওয়ার সময় এই বলিয়া হুমকি দিয়া যায় যে ঘটনার ব্যপারে কোন প্রকার মামলা মোকদ্দমা করিলে আমাকেসহ আমার পরিবারের অন্যান্য সদস্যকে সুযোগমতে পেলে রাস্তাঘাটে খুন করে লাশ গুম করে ফেলিবে এবং আমাদের বাড়ি ঘরে আগুন দিয়ে পোড়িয়ে দিবে আমাদেরকে এলাকাছাড়া করবে। ঘটনার স্থল থেকে এলাকাবাসী মো.শামসুল আলমকে সিএনজি যোগে পাকুন্দিয়া হাসপাতালে নিয়ে আসিলে কর্তবরত ডাক্তার উন্নত চিকিৎসার জন্য জখমীকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। ঘটনার দিন হইতে জখমী মো.শামসুল আলম ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বেশকিছুদিন চিকিৎসা নিয়ে কিছুটা সুস্থ হলে কর্তবরত ডাক্তার আবার পাকুন্দিয়া সদর হাসপাতালে রের্ফাড করেন । মোছা: রত্মা আক্তার বাদী হয়ে পাকুন্দিয়া থানায় অভিযোগ দায়েরের করেন। এগারসিন্দু ইউনিয়নের দায়ত্বরত এসআই সুজায়েত হোসেন জানান অভিযোগ পাওয়ার পর আসামী বিবাদীগণকে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আসামীদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। পাকুন্দিয়া থানার এসআই সুজায়েত হোসেন উক্ত ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে জানান।